বাংলাদেশ, , সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২

এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম’র অনুষ্ঠানে এম এ মুহিত : বাসযোগ্য পৃথিবীর জন্য পরিকল্পিত পথনকশা তৈরি করতে হবে

  প্রকাশ : ২০২১-১১-০৭ ১১:২৩:৪১  

পরিস্হিতি২৪ডটকম : বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই আমাদের দেশে পরিকল্পিত সবুজায়নের মাধ্যমে বনায়ন সৃষ্টিতে সম্মিলিতভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্তমানে যতটুকু বনভূমি রয়েছে তা যেন সঠিক ব্যবস্থাপনায় রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং এসব সবুজায়িত স্থানকে পর্যটন শিল্প হিসেবে কাজে লাগিয়ে বনভূমি সংরক্ষণের সাথে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকেও নজর দেয়া প্রয়োজন। দূষণ-দখল-অপরিচ্ছন্নতায় কোনো সবুজায়িত স্থানের সৌন্দর্য অবলোকনে যেন দৃষ্টি বিঘিœত না হয় সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম’র উদ্যোগে চট্টগ্রামের সিআরবি সংলগ্ন পাহাড়-প্রকৃতিতে পদযাত্রাপূর্বক পরিদর্শনকালে দুই বার এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম’র সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহার’র সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষানুরাগী ড. মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন, সমাজকর্মী নেছার আহমেদ খান, পূর্বাশার আলো’র প্রতিষ্ঠাতা আতিকুল ইসলাম আতিক, এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম’র দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুর রহমান শিহাব, ছাত্রনেতা আসিফ মুজতবা কামাল, স্মাইল বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম জয়, শাহ আলম শিকদার, মিনহাজুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো: মোরশেদ প্রমুখ।
নোমান উল্লাহ বাহার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী ও উদ্বাস্তুুুদের ক্ষতিপূরণ আদায়ে চলমান ঈঙচ-২৬ জলবায়ু সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপর্যুক্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিতের জন্য বলিষ্ঠভাবে গুরুত্বারোপ করা জরুরি। শুধু কথামালায় নয় বরং গ্রিনহাউস গ্যাসের ভয়াল থাবা থেকে পৃথিবীর অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখা আবশ্যক। আমরা ব্যাপক কার্বন নির্গমন হ্রাস চাই। বিশ্বের উত্তর থেকে দক্ষিণ জলবায়ু বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতিরোধে সুনিপুন ব্যবস্থাপনা চাই। পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্পের অবসান ঘটাতে হবে।
এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত আরো বলেন, যে শিক্ষা মানুষের মাঝে সৌন্দর্যবোধ জাগ্রত করে না এবং শিশুদের সুকুমার বৃত্তি ও তাদের মননে প্রকৃতির প্রতি প্রেমবোধ তৈরি করে না সেই শিক্ষা প্রকৃতপক্ষে কোনো শিক্ষা হতে পারে না।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি



ফেইসবুকে আমরা