বাংলাদেশ, , মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে তাহমিদুল উম্মাহ্ মডেল হিফজ মাদ্রাসায় শীত বস্ত্র, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও একবেলা ভাল খাবার প্রদান

  প্রকাশ : ২০২২-১২-২৪ ১৬:৩১:৫৪  

পরিস্থতি২৪ডটকম : মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে গতকাল ২৩ শে ডিসেম্বর, শুক্রবার দুপুরে পুরাতন চান্দগাঁও থানাধিন খতিব বাড়ীস্থ তাহমিদুল উম্মাহ্ মডেল হিফজ মাদ্রাসায় শীত বস্ত্র, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও একবেলা ভাল খাবার প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর প্রধান উপদেষ্টা ডা. মো: জামাল উদ্দিন ,উপদেষ্টা শের আলী পিপিএম, সংগঠনের সিনিয়র সভাপতি মুহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ ,সদস্য রুহুল আমিন,সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষী এসএম মামুন চৌধুরী,হাফেজ মাওলানা শাকের উল্ল্যাহ সহ গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগন । অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ডা. মো: জামাল উদ্দিন বলেন, ক্রয়ক্ষমতার বাইরে শীতার্ত ব্যক্তিরা না পারে পেট ভরে খাবার খেতে, না পারে কোনো অসুখ হলে চিকিৎসা করাতে। রাতের বেলায় দেখা যায় কীভাবে, কেমন করে শীতবস্ত্রবিহীন মানুষ কষ্টে রাত যাপন করছে। তাদের নেই কোনো শীত নিবারণ করার সম্বল। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে শীতের তীব্রতায় দুস্থ, নিঃস্ব, ছিন্নমূল, গরিব, দুঃখী, বস্ত্রাভাবী শিশু, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নিদারুণ কষ্ট পায়। তাই সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিরা যদি ইচ্ছা করেন, তাঁদের নিজ নিজ জেলার শীতার্ত অসহায় গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করতে পারেন।

 

হাদিস শরিফে উল্লেখ আছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দুনিয়ায় মানুষকে খাদ্য দান করেছে, সেদিন (রোজ কিয়ামতের দিন) তাকে খাদ্য দান করা হবে। যে আল্লাহকে খুশি করার জন্য মানুষকে পানি পান করিয়েছে, তাকে সেদিন পানি পান করিয়ে তার পিপাসা দূর করা হবে। যে মানুষকে বস্ত্র দান করেছে, তাকে সেদিন বস্ত্র পরিধান করিয়ে তার লজ্জা নিবারণ করা হবে।’সুতরাং প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মানুষেরই পারস্পরিক মানবতাবোধ ও উদার মানসিকতা থাকা অপরিহার্য। একজন মানুষ বিপদে পড়লে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অসহায় হলে তাকে যথাসাধ্য সাহায্য করা সমাজের বিত্তবান প্রতিবেশীদের ইমানি দায়িত্ব ও মানবিক কর্তব্য। সব মানুষের উচিত সমগ্র সৃষ্টির প্রতি দয়া-মায়া, অকৃত্রিম ভালোবাসা, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহানুভূতি বজায় রাখা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি



ফেইসবুকে আমরা