বাংলাদেশ, , শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯

শীত জেঁকে বসেছে বরেন্দ্র অঞ্চলে

  প্রকাশ : ২০১৯-০১-০৫ ২০:১৩:২৫  

পরিস্হিতি২৪ডটকম : বরেন্দ্র অঞ্চলে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নানা রোগবালাই। বেলা বাড়লেও দেখা নেই রোদের ঝিলিক। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে জবুথবু ছিন্নমূল মানুষ। আবহাওয়া অফিস বলছে, এ অবস্থা থাকবে আরো কয়েকদিন।রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, দিনের তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে তাকে মাঝারি এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে রেকর্ড করা হয়। রাজশাহীতে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। শনিবার ভোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা এখন কমতির দিকে। এ মৌসুমে সর্বনিম্ন ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৮।
তাপমাত্রা কমতে থাকায় পদ্মাপাড়ের ছিন্নমূল মানুষগুলো শীতের তীব্রতায় কাবু হয়ে পড়েছেন। উত্তরের হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা বাতাসে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। খোলা আকাশের নিচে থাকা মানুষগুলো শরীরে উষ্ণতা নিতে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
রাজশাহী মেডিকে কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক আজিজুল হক বলেন, ‘শীত বেড়ে যাওয়ায় সব বয়সের মানুষ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালে ঠাণ্ডাজনিত রোগির সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। এসব রোগির মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। বাড়ছে অ্যাজমা রোগির সংখ্যা।’
ঢাকা আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে রাজশাহীর পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন আরো বলেন, ‘আগামী তিন থেকে চার দিন শেষে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত রাজশাহী অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। বয়ে যেতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। এ সময় দিনের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।’
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে উপজেলা সদরে অবস্থিত শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। ফুটপাতে শীতবস্ত্রের দোকানগুলোর বিক্রি বেশ চাঙ্গা। নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও ছুটছেন সেখানে। ক্রেতাদের অভিযোগ, ‘শীত বাড়ার সঙ্গে দামও পাল্লা দিয়ে বাড়িয়েছে দোকানীরা।’



ফেইসবুকে আমরা