বাংলাদেশ, , বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০

রিজেন্ট হাসপাতালে প্রতারণার শিকার সবাইকে ১০ লাখ করে ক্ষতিপূরণ দিতে লিগ্যাল নোটিশ

  প্রকাশ : ২০২০-০৭-২০ ১৬:০৫:৪০  

পরিস্হিতি২৪ডটকম : বেসরকারি রিজেন্ট হাসপাতালে করোনার ভুয়া টেস্ট, চিকিৎসার নামে ভুক্তভোগী ও প্রতারণার শিকার প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে দেশের সব বৈধ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তালিকা প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি থানায় স্বাস্থ্য মনিটরিং কমিটি করতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসানের পক্ষে ব্যারিস্টার মো. আব্দুল হালিম এ নোটিশ পাঠান।

ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সবার সামনে হাসপাতালের তালিকা প্রকাশ ও রিজেন্ট হাসপাতালে ভুক্তভোগী ও প্রতারণার শিকার পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিতে হবে। অন্যথায় আমরা উচ্চ আদালতে রিট করব।

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘লাইসেন্সবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালের সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চুক্তি, বুথ বানিয়ে করোনা টেস্টের অনুমতি প্রদান করেছে, যা চরম দায়িত্বহীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিচয়। ভুয়া করোনা টেস্টের রিপোর্ট প্রদান করে রিজেন্ট হাস্পাতাল জনগণের সাথে চরমভাবে প্রতারণা করেছে। তাই প্রতারণার শিকার পরিবারদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’

‘মাশরুমের মতো গড়ে ওঠা লাইসেন্সবিহীন হাসপাতাল, করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ, বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা, বিল নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেই, যা জনগণের বেঁচে থাকার সাংবিধানিক অধিকারকে সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে।’

‘তাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সব হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতালের, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লিস্ট প্রকাশ, লাইসেন্সবিহীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রিজেন্ট হাসপাতালের প্রতারণার শিকার প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিতে হবে’, – বলা হয় নোটিশে।

অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বহীনতা আমাদের ভীষণ আঘাত করেছে। আমাদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘিত করেছে। চোখের সামনে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর প্রতারণা দেখেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চোখ বন্ধ করে আছে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দায়িত্বে থেকে দায়িত্ব পালনে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।’



ফেইসবুকে আমরা