বাংলাদেশ, , রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯

ঘাডশি’র ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ডা. জামাল : সাহিত্যচর্চা জাতিকে আলোকিত এবং মননশীলতাকে উন্নত করে

  প্রকাশ : ২০১৮-১২-২৩ ১৪:৪৩:২১  

পরিস্হিতি২৪ডটকম/কুতুব উদ্দিন রাজু(চট্টগ্রাম) : জাতীয় লেখক-লেখিকা ও সাহিত্য সংগঠন ‘ঘাসের ডগায় শিশির (ঘাডশি) বাংলাদেশের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বিজয়ানুষ্ঠান গত ২১ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪ টায় চট্টগ্রামের মোমিন রোডস্থ কদম মোবারক এম ওয়াই উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে সংগঠনের সহ সভাপতি বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক স.ম. জিয়াউর রহমান সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মো: আরমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাহিত্য পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার সহ সভাপতি ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেন্টাল এসোসিয়েশনের সভাপতি, বিশিষ্ট চিকিৎসক, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক ডা: মো: জামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজয় ৭১ এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সংগঠক ডা: আর কে রুবেল ও বিশিষ্ট সংগঠক ও সংস্কৃতি কর্মী আলাউদ্দিন খোকন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা: মো: জামাল উদ্দিন বলেন, একটি জাতির অলংকৃত ও গৌরবময় সম্পদ হচ্ছে তার নিজস্ব সংষ্কৃতি ও সাহিত্য। একটি জাতিকে বিশ্বের উন্নীত আসনে নিতে সংষ্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশ্বের বহু দেশ সাহিত্য ও সংষ্কৃতিকে লালন করে আজ উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত। যে মাধ্যমটি চর্চা ও লালন করে জাতি কখনো দরিদ্র হয়না সেটিই হচ্ছে জাতির সাহিত্য ও সাংষ্কৃতিক চর্চা।
বক্তারা আরো বলেন, সাহিত্য ও সংষ্কৃতি চর্চা জাতিকে যেমন সমৃদ্ধ করে এবং ব্যক্তিসত্ত্বাকেও আলোকিত করে তেমনি মানুষের মননশীলতাকেও উন্নত করে। তাই তরুণ প্রজন্মরা যত বেশি সাহিত্য সংষ্কৃতি চর্চায় মনযোগী হবে জাতি তত সমৃদ্ধ হবে।
বক্তারা আরো বলেন, ঘাডশি দীর্ঘদিন যাবত সাহিত্য ও সংষ্কৃতির চর্চায় যে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে তা প্রশংসার দাবিদার। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ঘাডশি’র প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট কবি ও চিকিৎসক ডা: মোঃ বেলাল হোসেন উদয়ন। আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হামিদ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: মাহফুজুর রহমান, সংগঠনের সদস্য মো: বেলাল হোসাইন, মো: শাহাজাদা হোসাইন শাওন, মামুনুর রশিদ, তন্ময় দে, মো: জসিম উদ্দিন, মো: আরিফুল ইসলাম, পার্থ সরকার, নূরীমন আরা বেগম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী অচিন্ত্য কুমার দাস সংগীত পরিবেশন করেন।



ফেইসবুকে আমরা