বাংলাদেশ, , শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

কবি জসীম উদ্দীন কবিতার মাধ্যমে গ্রাম বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতির বাস্তব প্রতিচ্ছবি জীবন্ত ফুটিয়ে তুলেছিলেন : ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন

  প্রকাশ : ২০২০-০২-১৫ ১৫:৫৫:৩২  

পরিস্হিতি২৪ডটকম : পল্লীকবি জসীম উদ্দীন স্মৃতি চিত্রাংকন পরীক্ষা- ২০২০ সনদ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ শুক্রবার বিকেল ৫ টায় নগরীর সুপ্রভাত স্টুডিও হলে পল্লকবি জসীম উদ্দীন স্মৃতি চিত্রাংকন পরীক্ষা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অধ্যক্ষ রতন দাশগুপ্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাপউস’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক,বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেন্টাল এসোসিয়েশনের সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমির পরিচালক মোঃ জসীমউদ্দিন চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ভানু রঞ্জন চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি ও সংগঠক সজল দাশ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, জসীম উদ্দীন তাঁর লেখনিতে পল্লির মাটি ও মানুষের অস্বিত্বকে একাকার করে তুলে ধরেছেন। তিনি রবীনন্দ্রযুগের কবি হয়েও তাঁর কাব্য সাহিত্যে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য সার্থকভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি এবং বাংলাদেশে ‘পল্লী কবি’ হিসেবে পরিচিত। তাঁর লেখা কবর কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় অবদান। একটি অঞ্চলের পরিমন্ডল এবং তার লোকাচার ও সংস্কৃতির সঙ্গে যে কতটুকু আত্মিক সম্পর্ক থাকলে মানুষের প্রতি ভালবাসা গড়ে উঠে তারও একটি পুরোপুরি আলাদা ধরনের চিত্র আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠে।

এইভাবে বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতির বাস্তব প্রতিচ্ছবি কবিতার মাধ্যমে আরও জীবন্ত ও সাবলিলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি আরো বলেন, কবি জসীম উদ্দীন পূর্ব বঙ্গের একজন গীতিকার ও সংগ্রাহকও। এছাড়াও তিনি ১০,০০০ এরও বেশি লোক সংগীত সংগ্রহ করেছেন, যার কিছু অংশ তার সংগীত সংকলন জারি গান এবং মুর্শিদা গান এ স্থান পেয়েছে এবং তিনি বাংলা লোক সাহিত্যের বিশদ ব্যাখ্যা এবং দর্শন খণ্ড আকারেও লিখে গেছেন। আশীষ কুমার নাথের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষিকা ও শিল্পী কাকলী দাশগুপ্তা, সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর, সমাজসেবক মিন্টু দাশগুপ্ত, সমাজসেবক মাসুদুর রহমান, শিক্ষিকা অনামিকা বড়ুয়া। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সুজন বড়ুয়া, অন্তু বড়ুয়া, আমেনা বেগম, তাহমিনা নাসরিন, নুরুন্নেছা আহমেদ মুক্তা, নাহিদা পারভীন ডেইজি, মিতালী সেন, হৃদয় মল্লিক, মো. জাফর আলী, মো. জাবেদ, সাথী দাশ, শবনব ফেরদৌসী, রঞ্জনা পাল, সমীরণ পাল প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন জান্নাতুল ফেরদৌস রুহি, গীতা পাঠ করেন প্রত্যাশা সওদাগর এবং সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন হয়। অনুষ্ঠানে ১৫০ জন কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পোষন করে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি



ফেইসবুকে আমরা